Skip to main content

অ-যান্ত্রিক এবং একদল গল্পরা

বই : অ-যান্ত্রিক এবং একদল গল্পরা : কৃষ্ণেন্দু সাঁতরা
  
সময়- বড্ড অদ্ভুত এক অবস্থা যা অনেক দুঃখ কষ্ট বা বঞ্চনাকে যেমন বহন করে তেমনি তার মিষ্টি সুখস্মৃতিও থাকে। বোধহয় সুখস্মৃতি চিরটাকাল কম পড়ে যায়!  তাই সুখী সুখী গল্পরা লেখা হতে থাকে-সুখকে জন্মদেওয়ার জন্য । কিন্তু "অযান্ত্রিক এবং একদল গল্পরা "সামাজিক পরিসরে বঞ্চনাকেই উপস্থিত করে তবে সেখানে প্রান্তিক মানুষের এক অলীক জয়ের কল্প-বাস্তবতাও আছে।বারংবার হেরে গিয়েও তাদের একদিন জিততেই হবে বা হয়।
amazon kindle:
যে সকল পাঠক amazon kindle ডিভাইস বা অ্যাপ ব্যবহার করেন তাদের জন্য amazon লিঙ্ক (amazon kindle লোগো /ছবিতে ক্লিক করে প্রবেশ করুন)amazon প্রাইম মেম্বারগন '''অযান্ত্রিক এবং একদল গল্পরা'' বিনামূল্যে পড়তে পারবেন ।amazon নন্-প্রাইম মেম্বারগন কিছু মূল্যের বিনিময়ে amazon kindle app-এ পড়তে পারবেন।
Google play book:
যে সকল পাঠক অ্যানড্রয়েড ডিভাইস বা কম্পিউটার(ডেস্কটপ/ল্যাপটপ) ব্যবহার করেন তাদের জন্য Google play book লিঙ্ক (Google play book লোগো /ছবিতে ক্লিক করে প্রবেশ করুন) ''অযান্ত্রিক এবং একদল গল্পরা'' বিনামূল্যে পড়তে পারবেন।
প্রথি.কম
যে সকল পাঠক PDF বা E-BOOK পড়তে চান-''অযান্ত্রিক এবং একদল গল্পরা'' পড়তে পারবেন প্রথি.কম থেকে PDF বা E-BOOK ফাইল ডাউনলোড করে।
লিঙ্ক দেওয়া হলো➧


যারা POD তে HARD COPY বইটি পেত আগ্রহী বা পড়তে আগ্রহী -তাদের জন্য -বইটির প্রথি.কম- HARD COPY -লিঙ্ক









Popular posts from this blog

রোদজাতক-৭ ৷৷ রত্না সোম

রোদজাতক-৭ ৷৷ রত্না সোম চিরকাল শুধু সংখ্যা আমরা চিরদিন পদাতিক তোমরা দিয়েছ গালভরা নাম পরিযায়ী শ্রমিক। ঘর ছিল এক ঠিক ঘর নয় খিদে সেখানেও বালাই পেটসন্ধানী এ অলি ও গলি হাড় ভেঙে জোটে ছাই। সেও কি জোটে ! তেনার মর্জি লক্ আউট আর ডাউন ভবিতব্যের এ পিঠ ও পিঠ আমিই বনেছি ক্লাউন। মরার অনেক অপশন তবু নাছোড় চেষ্টা বাঁচার করোনা এড়ালে থাবা পেতে আছে নিশ্চিত অনাহার। গাড়ি চাপা আছে , আছে ঘুমন্ত বুক পিষে যাওয়া রেলে এমন কত কি মরেই তো রোজ মশা মাছি এলেবেলে! মরলে সংখ্যা শহীদ হয় না বরং হিসেবে কমে দরদী ভাষণে বাহারি প্যাকেজ নাটক দিব্বি জমে। প্রশ্ন এটাই হেঁটে আসি কেন রাস্তায় রেলপথে টাকার পেটোয়া "বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে ।" কি পেলে আর কি কি না পেলে রাস্তাই অবশেষ কোনদিন তুমি বুঝবে না ঠিক সভ্য লোকের দেশ। হাড়ে হাড়ে কত দাগ জমে আছে সব ক্ষত চাবুকের একদিন পেশী স্বাদ বুঝে নেবে চাওয়া পাওয়া গতিফের। পাপকে জমাও আরো ঘন হোক বিস্ফোরণের আগে খাও পিও আর মৌজ করে নাও যদি ভলক্যানো জাগে --- পুড়বে ডানার স্বস্তি পুড়বে বাসার আলোও ঠিক সভ্যতা ফের গড়তে লাগবে পরিয...

রোদজাতক-৬ ৷ রত্না সোম

রোদজাতক-৬ ৷৷ রত্না সোম রোদজাতক-৬  স্পষ্ট বললে - আরও কতগুলো যুদ্ধজাহাজ ঢেউয়ের দিকে অস্ত্র তাক করে বসে থাকত। স্পষ্ট করে বললে -  পারমাণবিক গবেষণাগারে বন্দি বিজ্ঞানের পিঠে চাবুক কষিয়ে আদায় করে নেওয়া হত আরও মারাত্মক কোন বিস্ফোরণ । স্পষ্ট কথা বললে - সীমান্তে কাঁটাতারের মুখ রক্ত দিয়ে লাল রঙ করে নেওয়া হত বিপদ সংকেত । স্পষ্ট ভাষায় বললে -  সব আকাশের ডানা ছেঁটে দিয়ে খাঁচায় পোষ মানানোর টুকরো কবিতা লিখতে বাধ্য করা হত। স্পষ্ট অক্ষরে বিঁধলে - সমস্ত পাঠশালাদের দু চোখে বেঁধে দেওয়া হত অন্ধত্বের নাম নিশানা । স্পষ্ট সুরে গাইলে - সব গানের টুঁটি চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলার চেষ্টায় ভালরকম বুঝিয়ে দেওয়া হত আর্তনাদ কাকে বলে । স্পষ্ট হাতের লেখায় লিখলে -  সব কাগজ কালি কলমের বিরুদ্ধে বিশেষ আদালত বসানো হত -  স্পষ্ট প্রোগ্রামিং ঘেঁটে ঘ করে কম্পিউটারকে যে কোন সময় নির্বোধ বানিয়ে দেওয়াকে মানবিক অধিকারের তকমা পরানো হত। স্পষ্ট শ্লোগানকে বিনা বিচারে কয়েদ করে রাখার জন্য আনা হত নতুন আইনের হা হা হা হা - তাই ঘুমের মধ্যে স্বপ্নের মত কুয়াশার সবকিছু অ...

ফাইনম্যান।। দোলনচাঁপা দাশগুপ্ত

ফাইনম্যান।।  দোলনচাঁপা দাশগুপ্ত "আসুন স্যার । দাঁড়ান, অন্ধকার । মোবাইলের টর্চটা জ্বালাই। অজিতেশ অবাক । এমন ঘুপচি সিঁড়ি দিয়ে মানুষ চলাফেরা করতে পারে ? কিন্তু কী করবে ! দেহোপজীবিনীর সস্তা ডেরায় আসতে গেলে তো অন্ধকার গলিগালা পেরোতেই হয় খরিদ্দারদের। সে না হয় এসেছে অন্য কাজে। সঙ্গে স্ত্রী । দুজনেই ডাক্তার। সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংয়ের কথা আলোচনা করতে করতেই পায়েলের বুকটা মোচড় দিয়ে উঠেছিল। "হ্যাঁ গো, ওদের চলবে কীভাবে?" শহরের বিখ্যাত এন্ডোক্রিনোলজিস্ট অজিতেশ । রোগীর অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির হাল হকিকত বুঝে ফেলে মুহূর্তে ।কিন্তু স্ত্রীর প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেল না।দিনের মধ্যে পঞ্চাশবার হাত ধুচ্ছে, স্যানিটাইজার মাখছে ভাইরাসের ভয়ে। এখন যৌনকর্মীদের কাছে কেউ আসবে না। স্বাভাবিক । না খেতে পেয়েই ক্রমশ মরে যাবে ওরা। নিশ্চুপে। খিদে না ভাইরাস কোনটা বেশি খতরনাক গুলিয়ে গেল অজিতেশের। পায়েল একরোখা। একবার মাথায় ঢুকেছে মানে যাবেই। "ছাড়ো তো ! ওসব এনজিও মারফত টাকা দেওয়ার মানে হয় না । নিজেরাই যাই চলো। হাজার পাঁচেক টাকার চাল ডাল কিনে নিয়ে যাই। আর কিছু ওষুধ, মাস্ক।" এতকাল ফেমিনিস্ট বলে ...