পার্থিব স্পর্শ ৷৷ মানস
দাস
আবেগের আশ্চর্যজনক অনুভূতিগুলি
আমি জানি এবং আমি বলতে সাহস করবো
একাকী আমার অজানা কে!
বিবৃতি দেবো কানে কানে গোপনে।
চাঁদে আমি আমার চোখ ঠিক রেখেছিলাম
প্রশান্ত ও প্রশস্ত অম্বরে দ্রুত তোমার বিচরণ।
তোমার প্রিয় পথ আমার চোখ এড়িয়ে যায়নি।
অপরিকল্পিত বাস ছিল ঝরনার পাশে।
যার প্রশংসা করার কেউ ছিল না,
ভালোবাসার লোকও খুব কম।
অগুনতি অচেনাদের মধ্যে ভ্রমণ করেছ
সেগুলি অতীত কিন্তু স্মৃতিপটে!
এখনও ম্লান হয়ে যায়নি।
তপ্ত রোদে তৃষ্ণার্ত পথিকের সঙ্গে জলের
নিগূঢ় সম্পর্কের মতোই নিবিড় যোগ।
স্বপ্নের আবেশে এখনও স্পষ্ট আওয়াজে
অজানার ডাকে সাড়া দিতে হয়!
এখন, আমি জানি তোমার খুব আক্ষেপ হয়।
একটিও সুন্দর ফুল পৃথিবীতে বপন করা হয়নি!
একটিও ফল পরিপূর্ণতা লাভ করেনি!
কোনো সংযত ভাবধারা গড়ে ওঠে নি!
তাই আমার প্রার্থনা......
নতুন ভাবে সাজিয়ে নিও, নতুন অনুধাবন কর।
পৃথিবী এবং স্বর্গের তত্ত্বাবধানের
নতুন শক্তি অনুভব করো।
যা হবে সুন্দর, শান্ত এবং সংযত।
যে শক্তিতে ভাসমান মেঘ তার তার রাষ্ট্রকে
ধার দেওয়ার পরও ধরিত্রীর
বাঁক দেখতে ব্যর্থ হবে না।
মধ্য নিশিতে তারাগুলি একে অন্যের প্রিয় হবে
প্রতিদ্বন্দ্বীরা তাদের নাচের ঝংকার তুলবে!
যেখানে ফুল হবে সুন্দর
ফল পাবে পরিপূর্ণতা।
তোমার আত্মার উপস্থিতি
শীলমোহর দেবে নির্ভয়ের!
আমিত্ব ভগ্নাংশে পরিনত হবে!
যা হবে পার্থিব স্পর্শের বড় সুখ !
